রিপা আক্তারের বয়স ২২ বছর। কিন্তু তাকে দেখে মনে হয় ছয়-সাত বছরের শিশু। একা চলাফেরা করতে পারে না। থাকতে হয় বাবা-মায়ের কোলে। মা ডাক ছাড়া অন্য কোনো কথাও বলতে পারে না। পাঁচ-ছয় বছর বয়স পর্যন্ত সে অন্য শিশুদের মতো চলাফেরা করতে পারত। কিন্তু ছয় বছরের পর থেকে সে আর বাড়ছে না। মা-বাবা রাজবাড়ী সদর ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাতালের ডাক্তার দেখিয়ে জানতে পারেন রিপা হরমনজনিত সমস্যায় ভুগছে। উপরন্তু এর দু-তিন বছর পর রিপা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ফুলে যায়।
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সামসু মাস্টার-পাড়ার চা বিক্রেতা শরিফুল শেখ ও রুবি দম্পতির সন্তান রিপা। রিপার মা বলেন, ‘এলাকার মেম্বার-চেয়ারম্যান অনেকবার রিপাকে দেখে আশ্বাসও দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো সাহায্য পাইনি। গোয়ালন্দ সমাজসেবা অফিসে অনেক ঘুরেছি। প্রতিবন্ধী কার্ডের জন্য টাকা দিতে না পারায় কার্ডও হয়নি।’
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, রিপা আক্তার নামে কেউ আমার কাছে সহযোগিতার জন্য আসেননি। এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, সাংবাদিদের মাধ্যমে গত ২৭আগস্ট আমি রিপার বিষয়ে জানতে পারি। ওই দিনই সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছি প্রতিবন্ধীভাতা কার্ড করে দিতে।