নাটোর শহরের হাফরাস্তা এলাকায় প্রেমিককে বিয়ে করতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় ধর্ষণকাজে সহযোগীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় বুধবার অভিযুক্তদের আটক করা হয়।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বলেন, রাজশাহী জেলার মতিহার থানার কাজলা এলাকা থেকে প্রেমিক আবিরকে বিয়ে করতে নাটোরে আসেন এক তরুণী। পরে আবির তাকে শহরের হাফরাস্তা এলাকায় পরিচিত মৃথিলা ও তার স্বামী মৃদুলের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে মৃথিলা ও মৃদুলের সাথে টাকা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃথিলা, রনি, রকি ও সোহানকে খবর দেন। মৃথিলা ও তার স্বামীর সহোযোগিতায় তারা তিনজন অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আবিরকে মারপিট করে আটকিয়ে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তরুণী সেখান থেকে বের হয়ে আবিরকে সাথে নিয়ে রাত দেড়টার দিকে শহরের বড় হরিশপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘুরতে থাকলে টহল পুলিশের সামনে পড়ে।
তিনি আরো জানান, এ সময় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের অভিযোগ করেন তরুণী। এমন অভিযোগে রাতেই পুলিশের তিনটি দল গঠন করা হয়। ধর্ষনের শিকার তরুণীকে সাথে নিয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাফরাস্তা এলাকার সাগরের বাসা থেকে ভাড়াটিয়া মৃথিলা ও মৃদুলকে আটক করা হয়। থানায় এনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে দেয়া তথ্যমতে সদর উপজেলার তেলকুপি মদনহাট বিল থেকে বুধবার সকালে রনি, রকি ও সোহানকে আটক করে। এ সময় তাদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। প্রেমিক আবির ও প্রেমিকা তরুণীকে পুলিশ হেফাজতে সদর থানায় রাখা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার তরুণী রাজশাহী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বলেও জানায় পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন কানাইখালী এলাকার আবজাল হোসেনের ছেলে রনি, মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে রকি ও আব্দুল মজিদের ছেলে সোহান। আর সহযোগী মৃদুল নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে আর মৃথিলা তার স্ত্রী।



