ভোলায় দীর্ঘ ১৮ বছর পর গণধর্ষণ মামলার দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী এক লাখ টাকা করে দুজনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে ভিকটিমের পরিবারকে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সাথে ভিকটিমের পরিবার যেন অর্থ পায় তার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অন্য ৬ আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ভোলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরুল আলম মোহাম্মদ নিপু ভোলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় আসামি মো: সেলিম ও পলাতক আসামি মো: নাসিমকে বিচারক নূরুল আলম মোহাম্মদ নিপু এ রায় ঘোষণা করেন।
এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো: সেলিমকে তার সাজা থেকে তাদের পূর্বের হাজতবাস কর্তন ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নাসিমের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু জারি করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন জানান, ২০০৪ সালের ৬ জুন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর নুরুল আমিন গ্রামে রাতে আধারে এক গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বাড়ির পাশে নির্জন মাঠে মো: সেলিম ও মো: নাসিম গণধর্ষণ করেন। ওই দিন ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ চরফ্যাশন থানায় পাচঁজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো জানান, তদন্ত শেষে চরফ্যাশন থানা পুলিশ অভিযুক্ত মো: সেলিম ও মো: নাসিমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ নারী শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরুল আলম মোহাম্মদ নিপু এ রায় ঘোষণা করেন।



