নড়াইল সদর উপজেলার পইলডাঙ্গা গ্রামে স্বামীকে মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে নড়াইল সদর হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ কাজী সুমাইয়া ইসলাম। মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় স্বামী আশিক গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সুমাইয়াকে কিল-ঘুষি মারার পাশাপাশি লোহার রড দিয়ে প্রহার করে। লোহার রডের আঘাতে সুমাইয়ার তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। তার ঠোঁটে ১০টি সেলাই দিতে হয়েছে। মাথা ও তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার পার্থ সারথি রায়।
এসএসসিতে জিপিএ-৪ পাওয়া গৃহবধূ সুমাইয়া ইসলাম লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের মেধাবী ছাত্রী এবং এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। স্বামী আশিক নড়াইলে নির্মাণাধীন রেলওয়ে প্রকল্পে চীনাদের সাথে দোভাষী হিসেবে কাজ করেন। সংসারে সুখের কথা বিবেচনায় এনে স্বামীকে মাদক থেকে দূরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন সুমাইয়া। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে আশিক তার স্ত্রীকে বেদম মারধর করে পালিয়ে যায়।
নড়াইল সদর থানার ওসি (চলতি দায়িত্ব) মাহমুদুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী গৃহবধূদের পক্ষ থেকে এজাহার পেয়েছি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।