মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ২৭টি কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষিত আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ২০ টাকা হলেও সেপ্টেম্বর মাসে তা বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকা। এতে বস্তা প্রতি লোকসান হচ্ছে ৪০০ টাকা। বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৫ টাকা করে। উপজেলা কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে এ উপজেলায় ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে দুই লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন।
কৃষক নুরুজ্জামান সরদার জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও টানা বৃষ্টিতে চলতি বছরে জমিতে রোপণ করা বীজ আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আবার বীজ রোপণ করায় খরচ বেশি হয়েছে। এ ছাড়া এক হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণে স্টোরেজের ভাড়াসহ প্রতিবস্তা আলুর উৎপাদন খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতি বস্তা আলুর বাজার মূল্য ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা। মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়নুল আলম তালুকদার জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর আলু উৎপাদন কম হওয়া সত্যেও বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মোট অবিক্রীত আলুর পরিমাণ এক লাখ এক হাজার ৩০৬ মেট্রিক টন।জেলা কৃষি অধিদফতরের উপপরিচালক খুরশিদ আলম জানান, অবিক্রীত আলুর বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এখন পর্যন্ত। কৃষকের লোকসানের বিষয় আমাদের কিছুই করার নেই।
মুন্সীগঞ্জে অবিক্রীত আলু ১ লাখ ৫ হাজার টন : বস্তায় লোকসান ৪০০ টাকা
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ২৭টি কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষিত আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ২০ টাকা হলেও সেপ্টেম্বর মাসে তা বিক্রি হচ্ছে...



