কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্রক্সি ওয়ারিশের মাধ্যমে ০.৮৬ শতক জায়গার একখণ্ড জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হয়েছে। রেকর্ডে জমির মালিকানা নেই, খতিয়ানেও মালিকের নামে কোনো রেকর্ড নেই। তথ্যের বিভ্রাট ঘটিয়ে নন রেকর্ডীয় ব্যক্তি জমির কবলা সম্পাদন করা হয়েছে।
দুর্ধর্ষ এই জালিয়াতি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ গত ২১ সেপ্টেম্বর আদালতে একটি মামলা রুজু করেন। এতে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামার মৃত নজির আহমদের ছেলে ফয়েজ আহমদ, তার ভাই সানাউল্লাহ নুরী বাহাদুর, মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে শাহ আলম, মৃত দলিলুর রহমানের ছেলে আবদুর রহিমসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়। চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অধিকতর তদন্তের ভার ন্যস্ত করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কক্সবাজারকে। মামলার বাদি উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন।
জমির ওয়ারিশ ও রেকর্ডীয় বিষয়টি প্রমাণের জন্য বাদিপক্ষ পেকুয়া সদর ইউপির কার্যালয় থেকে দু’টি পৃথক ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করেছেন। সেখানে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। মামলার বাদি গিয়াস উদ্দিন জানান, এ ধরনের প্রতারণা ও জাল-জালিয়তির বিরুদ্ধে মানুষকে সজাগ থাকতে হবে। তথ্যের বিভ্রাট ঘটিয়ে এভাবে নন রেকর্ডীয় ব্যক্তি জমির কবলা সম্পাদন করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।