ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় চোখ ওঠা বা (কনজাংটিভাইটিস) রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নারী-পুরুষ ও শিশুরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছেন। এদিকে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপজেলার সর্বত্রই চোখের জীবাণুনাশক ড্রপের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
ভালুকা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, কিছুক্ষণ পর পর চোখ ওঠা রোগীরা আসছেন। জরুরি বিভাগের ডাক্তার জানান, প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন।
ভালুকা পাঁচ রাস্তার মোড়ের মা মেডিক্যাল হলের মালিক মামুনুর রশিদ জানান, গত ৫-৬ দিন ধরে চোখ ওঠা রোগের জন্য ব্যবহৃত সব ড্রপের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে জীবাণুনাশক ড্রপ সিপ্রোফক্সিন, মক্সিফক্সাসিন, এফনিকল, সুপ্রাফেনসহ প্রায় সব ধরনের ড্রপের সরবরাহ বন্ধ আছে। তবে বন্ধের কারণ তিনি বলতে পারেননি।
ভালুকা ৫০ শয্যা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: হাসানুল হোসাইন বলেন, কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ রোগের জন্য তেমন ওষুধের প্রয়োজন পড়ে না। ওষুধ সঙ্কটের বিষয়ে তিনি বলেন, হঠাৎ দেশজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় কোম্পানিগুলো হয়তো সরবরাহ করে উঠতে পাড়ছে না।
ভালুকায় চোখ ওঠা রোগের ওষুধ সঙ্কট
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় চোখ ওঠা বা (কনজাংটিভাইটিস) রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নারী-পুরুষ ও শিশুরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছেন। এদিকে রোগীর সংখ্যা...



