ফরিদপুরের সালথায় কক্সবাজার যাওয়ার কথা বলে কাজে বাধা দিয়ে এক ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলো- সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইমামুল খান, আরেক সহসভাপতি আবু মুসা ওরফে প্রিন্স মুসা (২২) ও কর্মী জসীম মোল্যা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে তাদের ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়।
এলাকাবাসী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সালথা কলেজ রোড এলাকায় দুই কিলোমিটার রাস্তার কার্পেটিং কাজ করছে তাসা কনস্ট্রাকশন নামে ফরিদপুরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উক্ত কাজের মালামালের ট্রলি ঠেকিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ৮-১০ জন যুবক। দাবি করা চাঁদা না দেয়ায় তারা ট্রলির ড্রাইভারকে বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে মারধর করে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়।
এ বিষয় তাসা কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, এর আগে তাদের পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছি। পরে এক লাখ টাকা চাঁদাদাবির বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়।
সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রায়মোহন রায় বলেন, তবে আমি বিষয়টি শুনেছি। সেখানকার একটি পক্ষ বলছে রাস্তার নিম্নমানের কাজ হচ্ছে বলে কাজে বাধা দেয়া হয়েছে। আবার আরেকটি পক্ষ বলছে ট্রলি থামিয়ে তারা চাঁদা দাবি করেছে। তাই আমরা সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরে সাংগঠনিকভাবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সালথায় ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি : ৩ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরের সালথায় কক্সবাজার যাওয়ার কথা বলে কাজে বাধা দিয়ে এক ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলো- সালথা উপজেলা...



