নারায়ণগঞ্জের এক গৃহবধূকে (২২) পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত তিন হোতা শহিদুল ইসলাম মুসল্লী, মালেক হাওলাদার ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার দিবাগত ভোর রাতে মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের দণি চরপাড়া গ্রাম থেকে কলাপাড়া থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় শনিবার কলাপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূর ২০১৯ সালে বিয়ে হয়। তার ৯ মাসের এক ছেলে রয়েছে। বর্তমানে স্বামীর সাথে তার সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। নির্যাতিতা গৃহবধূ অভিযুক্ত মালেক হাওলাদারের মেয়ে শিল্পী আক্তারের সাথে ঢাকায় একই ফ্যাটে থাকতেন। কয়েক মাস আগে আসামি শহীদুল ইসলাম শিল্পীর বাসায় যায়। তখন ভিকটিমকে তার পারিবারিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয় শহীদুল। এ জন্য ২০ হাজার টাকায় ওঝার মাধ্যমে সমাধানের চুক্তি হয়। প্রথমে ১৬ হাজার ও পরে চার হাজার টাকা পরিশোধ করেন গৃহবধূ। একপর্যায়ে ওঝার তদবির নেয়ার জন্য তাকে কলাপাড়ায় যেতে বলা হয়। সেখানে গিয়ে প্রথম রাত শহীদুল ইসলামের স্ত্রীর সাথে থাকেন। দিনভর সেখানে অবস্থান করেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কৌশলে মালেকের খালি ঘরে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে প্রথমে শহীদুল এবং পরে আরো দু’জনে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে রাত ২টায় ওই গৃহবধূকে হত্যার পরে লাশ গুম করার ভয় দেখিয়ে চলে যেতে বলা হয় এবং এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়া হয়। ওই রাতে নির্যাতিতা নারী কুয়াকাটায় গিয়ে থাকেন। ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় গিয়ে বাবা-মাকে সব খুলে বলেন। পরে কলাপাড়া থানার সহায়তা নেন।
কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ জসীম জানান, মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।



