সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ (সামেক) হাসপাতালের অকেজো লিফটের নিচে বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালক ডা: কুদরত-ই-খুদাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছেলে আবদুল্লাহ বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সদর থানায় এই মামলা করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনেশিয়ান আবদুল হালিম, ওয়ার্ড মাস্টার মুরাদ হোসেন ও লিফটম্যান আরিফ হোসেন।
এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে আবদুল্লাহ বলেন, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি গত ৪ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ওষুধ নিতে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ব্যাপারে গত ৫ অক্টোবর সদর থানায় তাকে নিখোঁজ উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি করি। এরপর ৯ অক্টোবর বাবার অর্ধগলিত লাশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অকেজো লিফটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারী ও কিছু দালালের কারণে আমার বাবার এমন মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স.ম কাইয়ুম বলেন, নিহতের ছেলে বাদী হয়ে পরিচালকসহ চারজনের নামে মামলা দিয়েছেন। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।