দেশব্যাপী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য পেডিয়াট্রিক ফর্মুলেশন ফাইজার বায়োএনটেক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রম। চলবে ১৩ দিন। সে অনুযায়ী মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুর প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে ৬টি ইউনিয়নের প্রায় চার হাজার শিশুকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়। দ্বিতীয় দিন বুধবার বিকেলে প্রচারণা চালিয়ে তৃতীয় দিনের ভ্যাকসিন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) চলমান ভ্যাকসিন কার্যক্রম হঠাৎ বন্ধ করে দেয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের এ টিকা কার্যক্রম বন্ধ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চলছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। কেউ কেউ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন সঙ্কটের কারণে এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুজহাত নওরীন আমিন বলেন, ভ্যাকসিনের কোনো সঙ্কট নেই। অনিবার্য কারণবশত বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো: মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপন দেবনাথ বলেন, শিশুদের করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার কথা নয়।
তবে ইউএইচএফপিও জানিয়েছেন, ইপিআই কর্মসূচির কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী রোববার থেকে পুরোদমে ভ্যাকসিন কার্যক্রম আবার চলবে।



