চকরিয়ায় মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে প্রতিদিনের মতো সদাই করতে গিয়ে গায়েবি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন এক দুধ বেপারি। অন্য দিকে প্রবাসে (সৌদি আরব) অস্থান করেও ওই একই মামলায় আসামি হন এক প্রবাসী। বিষয়টি জানাজানি হলে তুলকামাল হাসিঠাট্টা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয় স্থানীয়দের মাঝে। গত ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নে। স্থানীয় আলী আহমদের ছেলে সাবেক সেনা সদস্য গিয়াসউদ্দিন ওই গায়েবি মামলার বাদি। গত ১৬ অক্টোবর তিনি মামলাটি করেন।
বিএমচর ইউনিয়নের বাক্কার পাড়ার বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন জানান, গায়েবি মামলায় গ্রেফতার দুধ বেপারি বশির আমার বড়ভাই। গ্রেফতারের পাশাপাশি তার কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়া হয়। সাবেক সেনা সদস্য গিয়াসউদ্দিনের গায়েবি মামলায় তাকে গ্রেফতার ও অমানবিক নির্যাতন করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। পরে জানা যায় দুধ বেপারি বশিরসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দোকান লুটের অভিযোগে মামলা
দেয়া হয়েছে।
অন্য দিকে একই এলাকার মোহছেন আলী বলেন, তার ছোট ভাই শহীদুল মোস্তফা আছে সৌদি আরবের জেদ্দায়। সেও গায়েবি মামলার আসামি। কৈয়ারবিল ইউপির খিলছাদকের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, কী ঘটনা, কোথায় ঘটেছে- কিছুই জানি না। কিন্তু আমরা দুই ভাই আসামি।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মিজান বলেন, ঘটনা তদন্তাধীন। এখন এ বিষয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমারের কাছে গায়েবি মামলার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি গুরুত্বের সাথে দেখছি। গায়েবি হয়ে থাকলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পুলিশ ফাঁড়িতে সদাই করতে এসে গায়েবি মামলায় গ্রেফতার
চকরিয়ায় মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে প্রতিদিনের মতো সদাই করতে গিয়ে গায়েবি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন এক দুধ বেপারি। অন্য দিকে প্রবাসে (সৌদি আরব) অস্থান করেও ওই...



