হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত জাহান মিলা। ছোট্ট শিশুটির করুণ চাহুনি যেন বলছে ‘আমি বাঁচতে চাই’। সহপাঠীদের সাথে খেলার মাঠে আর স্কুলের বেঞ্চে থাকার এই সময়ে সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। ছোটাছুটির এই বয়সে কেবল তার চোখজুড়ে বাচাঁর আকুতি।

যে বয়সে সহপাঠীরা সব ছুটছে নিজ নিজ জগতে তখন তার বুকভরা স্বপ্ন কেবল হাসপাতালের চার দেয়ালে বন্দি। অথচ স্কুলের সহপাঠীদের সাথে খেলাধুলা আর বাবা-মায়ের সাথে দুষ্টুমির স্বপ্ন ছিল তারও।

মাত্র তৃতীয় শ্রেণির শিশুছাত্রী মিলার বাড়ি ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকায়। সে কাজী বাড়ির মাহফুজুর রহমানের মেয়ে। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি মিলা।

মিলার বাবা মাহফুজুর রহমান জানান, তিন সন্তানের মধ্যে মিলা সবার বড়। তার চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে অস্বচ্ছল পরিবার ইতোমধ্যে নিঃস্ব হয়ে গেছে। এখন চিকিৎসা চালিয়ে নেয়ার মতো টাকা-কড়ি নেই। তবুও মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তশালী ও সামর্থবানদের প্রতি পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান তার।

পরিবার জানায়, মিলার অনেক দিন যাবৎ শরীরে ব্যথা ও জ্বর ছিল। গত ৩ অক্টোবর তার পায়ে প্রচন্ড ব্যথা হলে তাকে চরফ্যাশনের একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে ঢাকা থেকে আসা ডাক্তার পরীক্ষা করে মিলার ব্লাড ক্যান্সারের কথা জানান। খবর শুনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে বাবা মাহফুজুর রহমানের। পরে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ধানমন্ডির একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সেখানের ব্যয় মেটাতে না পেরে মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি করান হয় মিলাকে। বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে মিলা।

ডাক্তার জানিয়েছে, মিলার সুস্থতার জন্য তিন থেকে চার বছর একটানা চিকিৎসা করা প্রয়োজন। প্রতিদিন তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা ব্যয় হচ্ছে। মাহফুজুর রহমান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাত হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। মেয়ের চিকিৎসায় ছোটাছুটি করতে গিয়ে চাকরি হারিয়েছেন তিনি। নেই আর্থিক স্বচ্ছলতাও। এখন মেয়ের শয্যাপাশে বসে কাঁদছেন।

সমাজের বিত্তশালী ও সামর্থবানসহ সকলের সহায়তা পেলে হয়তো বেঁচে যাবে একটি প্রাণ। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা :

বিকাশ ও নগদ: 01932698524
ব‍্যাংক হিসাব নম্বর : Islami Bank agent
Acc : 20507770255294116