গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
শনিবার সকালে উপজেলার রাধাগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ও শুক্রবারেও দু’দফায় সংঘর্ষ হয়।
জানা যায়, দিঘলীয়া গ্রামের ইলিয়াছ শেখের সাথে একই গ্রামের মামুন শেখের এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার রাতে মামুনের লোকজন ইলিয়াছ গ্রুপের লোকজন ও ইউপি সদস্য মারুফের ওপর হামলা চালায়। এতে মারুফকে গুরুতর আহত অবস্থায় কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এ দিকে মারপিটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ও শনিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। এছাড়াও সাতটি বসতঘর ও দু’টি খাবার হোটেল এবং তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, আগে মারুফের লোকজন একজনের হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দেয়। তিনি আজ মৃত্যু পথযাত্রী। মারুফ আবারো এলাকায় ত্রাশের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছেন। তাই মানুষ অতিষ্ট হয়ে মারুফের ওপর আক্রমণ করে। এ ঘটনায় মারুফের লোকজন বাড়ি-বাড়ি ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করছে।
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে বর্তমানে এলাকায় স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে।



