নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদকে সোমবার কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে মারধরের মামলায় নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক মেহেদী হাসান আসামি আসাদুজ্জামান আসাদ ও তার ছোট ভাই ফয়সাল হোসেনকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদের অপর ভাই আলিম আল রাজি ছাত্রলীগ নেতা জীবন হত্যা মামলায় আগে থেকেই কারাগারে আটক রয়েছেন।
পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ ও তার ভাইদের পিটুনিতে আহত উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জামিউল আলিম জীবন গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় জীবনের মা জাহানারা বেগম বাদি হয়ে আসাদ ও তার দুই ভাইসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে নলডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। চেয়ারম্যান আসাদ সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে তার কার্যালয়ে যাতায়াত শুরু করেন। গত ২৩ অক্টোবর দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদ অফিস থেকে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে তার ভাড়া বাসায় যাওয়ার সময় নলডাঙ্গা পৌর সদরের অধীরের মোড় এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় রক্তাক্ত জখম হন।
বাদির আইনজীবী আঞ্জুমান আরা রতœা জানান, ২৩ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান আসাদকে প্রধান অভিযুক্ত করে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জামিউল আলিম জীবনের চাচা ফকরুদ্দিন মাস্টার ১৪ জনের নামে মামলা দায়ের করে।
নলডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদ জেলহাজতে
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদকে সোমবার কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে মারধরের মামলায় নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে...



