পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ-পঞ্চগড় (তিস্তার হাট থেকে দেবীগঞ্জ এলএসডি পর্যন্ত) পাঁচ কিলোমিটার সড়কের জন্য দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে। মেরামতের কাজ দীর্ঘ তিন বছরেও শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। বেশি ভোগান্তি হচ্ছে স্কুল-মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষকে। রাস্তাটি খোঁড়াখুঁড়ি করে বালু ও পাথর ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ব্যস্ততম এই সড়ক পথে ঢাকাগামী ডে-নাইট কোচ, বিআরটিসি বাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। সারাক্ষণ ধুলাবালুতে আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে সড়ক পথটি। এতে রাস্তার পার্শ¦বর্তী আবাসিক এলাকার লোকেরা, দোকান মালিকেরা, মাদরাসার আবাসিক ছাত্ররা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। ধুলাবালু ও রাস্তার ওপরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা পাথর কণায় আরো সমস্যায় পড়েছেন দেবীগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, গর্ভবর্তী মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধরা।


দেবীগঞ্জ থেকে পঞ্চগড় রাস্তাটি মেরামতের কাজের জন্য টেন্ডার হয় ২০১৯ সাথে। ২০২২ সালে এসেও সেই মেরামতের কাজ শেষ হয়নি। রাস্তার কারপেটিংয়ের কাজ দ্রুত করা ও রাস্তার ধুলাবালু-পাথরের কবল থেকে বাঁচার দাবিতে গত ১ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেবীগঞ্জ-সবুজপাড়ায় স্থানীয়রা রাস্তাটি ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অবরোধ করে রাখে। অবরোধের মুখে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এ নিয়ে দু’বার রাস্তাটি অবরোধ করা হলেও মেরামত কাজের ঠিকাদার কিংবা এলজিইডির টনক নড়েনি। মেরামতের কাজ শেষ করার কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না।
অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম ফেরদৌস। রাস্তার এ বেহাল দশা দেখে তিনি দ্রুত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলে অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা। তবে, অবরোধ চলাকালীন সময়ে ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ার কারোরই দেখা মেলেনি।