বাগেরহাটের চিতলমারীতে নির্যাতনের যন্ত্রণায় পাঁচ দিন ধরে কাতরাচ্ছেন গরিব বিধবা সুচিত্রা হালদার (৪৩)। তিনি বাজারে শাকসবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিরোধপূর্ণ একটি জায়গার গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন ও মারধর করে।
গতকাল শনিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৮ নম্বর বেডে শুয়ে আহত সুচিত্রা হালদার সাংবাদিকদের জানান, চরবানিয়ারী ইউনিয়নের খড়মখালী গ্রামের মৃত তপন হালদার মন্নার স্ত্রী তিনি। তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষ তাপস হালদার তাদের অনেক সম্পত্তি দখল করে নেয়। এই ব্যাপারে তার ছেলে মৃন্ময় হালদার বাদি হয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা করে। বিরোধপূর্ণ জায়গার শান্তি বজায় রাখতে স্থানীয় গণ্যমান্যরা ২০২০ সালের ৪ জুন সুনীল আমিনের মাধ্যমে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দেন। কিন্তু গত ৮ নভেম্বর মঙ্গলবার তাপস হালদারের নেতৃত্বে তার ছেলে বুদ্ধ হালদারসহ কয়েকজন অপরিচিত লোক এসে তার সীমানার গাছ কাটা শুরু করে। তখন সুচিত্রা বাধা দিলে তাকে বেধড়ক পেটিয়ে আহত করে।
তাপস হালদার জানান, আমার ভাগের জায়গার গাছ কাটতে গেলে সুচিত্রা আমাদের বাধা দেয় এবং আমার স্ত্রীর চুল ধরে টানতে থাকে। তখন ছাড়াতে গেলে সুচিত্রা আহত হয়।
চিতলমারী থানার ওসি এ এইচ এম কামরুজ্জামান খান জানান, তার কাছে অভিযোগ নিয়ে কেউ যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
চিতলমারীতে নির্যাতনের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন বিধবা সুচিত্রা
বাগেরহাটের চিতলমারীতে নির্যাতনের যন্ত্রণায় পাঁচ দিন ধরে কাতরাচ্ছেন গরিব বিধবা সুচিত্রা হালদার (৪৩)। তিনি বাজারে শাকসবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিরোধপূর্ণ একটি জায়গার গাছ...



