জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান মো: ওয়াদুদ মাতুব্বর।
রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। মো: ওয়াদুদ মাতুব্বরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: ইব্রাহিম হোসেন তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আইনজীবি জানিয়েছেন, হাইকোর্ট থেকে গত বুধবার জামিন পান তিনি। আজ রোববার দুপুরে তিনি ফরিদপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বরের বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা দায়ের করা হয়। তার সবক’টিতে আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন তিনি। সর্বশেষ ৩২(২১) মামলায় হাইকোট থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন।
প্রসঙ্গত, গত ৮ জুলাই সন্ধ্যার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাপ ও দিয়াপাড়া গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় দিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা এলেম শেখের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় সংঘর্ষকারীরা। এ ঘটনায় গত ৯ জুলাই ওয়াদুদ মাতুব্বরসহ মোট ৩৬ জনকে আসামি করে সালথা থানায় একটি
মামলা দায়ের করেন ওই মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী জয়গুন বেগম।
সেই মামলায় গত ১৩ জুলাই ফরিদপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের ৬ নম্বর আমলি আদালতে আসামিরা হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিচারক তরুণ বাছাড় জামিন নামঞ্জুর করে সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান মো: ওয়াদুদ মাতুব্বরসহ ১০ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সে মামলায় কিছুদিন পর অন্যদের সবার জামিন হলেও তিনি জামিন পাননি তখন।
এরপর ওয়াদুদ মাতুব্বরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বেশ কিছু মামলা দায়ের করা হয়। সর্বশেষ সালথার আলোচিত সহিংস তাণ্ডব মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ। সেখানে চার্জশিটভুক্ত আসামি করা হয় ওয়াদুদ মাতুব্বরকে। কয়েক দফা ফরিদপুর জর্জ কোর্ট ও হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলেও জামিন নামঞ্জুর হয় তার।
অতঃপর চারমাস কারাভোগ শেষে গত বুধবার (০৯ নভেম্বর) হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। আজ রোববার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন মো: ওয়াদুদ মাতুব্বর।



