নরসিংদীর মনোহরদীর ঝোপ থেকে পাওয়া সেই নবজাতকের পরিচয় মিলেছে। জুয়েনা বেগম (৪০) নামের এক মহিলা এটি তার সন্তান বলে সে দাবি করেছেন। জুয়েনার স্বামীর বাড়ি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায়। মনোহরদী উপজেলার অর্জুনচর গ্রামে তার স্বামীর বাড়ি বলে জানা যায়। তিনি মনোহরদী সরকারি কলেজের পশ্চিম পাশে ভাড়া বাসায় থাকেন।
রোববার সকালে মনোহরদী সরকারি কলেজের পশ্চিম পাশের ঝোপ থেকে পলিথিনে মুড়ানো অবস্থায় নবজাতকটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সন্ধ্যায় এক নারী নবজাতকটিকে তার সন্তান বলে দাবি করে হাসপাতালে আসেন।
জুয়েনা বেগম জানান, আট মাস আগে স্বামী সৌদি আরব যান। বিদেশ যাওয়ার পর স্বামীর সাথে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সে কারণে তিনি সংসারের খরচ পাঠানো বন্ধ করে দেন। সেই ক্ষোভ এবং অভাবের চিন্তা করে সন্তান প্রসবের পর ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে শনিবার রাতে স্বাভাবিকভাবে বাসায় সন্তান প্রসবের পর ভোরে কলেজের পাশে ফেলে দেন।
মনোহরদী থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন বলেন, সকালে রাস্তায় এক নবজাতক পাওয়ার সংবাদ আসে। পরে পুলিশ পাঠিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিকেলে জুয়েনা নামে এক নারী থানায় এসে ওই সন্তানটি তার বলে দাবি করেছেন। পরে তাকে হাসপাতালে সন্তানের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুল হাসান মাহমুদ বলেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা বেশ ভালো। তারপরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সন্ধ্যায় নবজাতকের মা এসেছেন। কয়েক দিন তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
মনোহরদীতে পরিচয় মিলেছে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের
নরসিংদীর মনোহরদীর ঝোপ থেকে পাওয়া সেই নবজাতকের পরিচয় মিলেছে। জুয়েনা বেগম (৪০) নামের এক মহিলা এটি তার সন্তান বলে সে দাবি করেছেন। জুয়েনার স্বামীর বাড়ি...



