বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, সরকার যতই উপায় খুঁজে বের করুক কোনো কাজ হবে না। কারণ, বিএনপির সমাবেশ এখন আর বিএনপির নেই; সমাবেশ হয়ে গেছে জনতার। সাধারণ মানুষ তাদের দাবি নিয়ে সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন। কুমিল্লায় ২৬ নভেম্বর বিএনপির সমাবেশ ঘিরে সরকার মহাসড়কে ধর্মঘট দিলে তা হবে আত্মঘাতী। এতে তাদের পতন এক মাস আগে হবে। কোনো বাধা মানুষের জোয়ার ঠেকাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না। অন্য বিভাগে নেতাদের নির্দেশ দিতে হয়েছে। এখানে আমরা নির্দেশ দেয়ার ১৫ দিন আগেই নেতাকর্মীরা কাজ শুরু করেছেন।

বুধবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো দবলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশশেহারা। আওয়ামী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে মানুষ জিম্মি। দেশের হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে। দুদক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে চুনোপুটি নিয়ে পড়ে আছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার কুমিল্লাকে পছন্দ করে না। তাই মেঘনা নামে বিভাগ দিচ্ছে। এর প্রতিবাদে আমাদের সমাবেশে ৫ লাখ মানুষ বেশি হবে। আমরা ক্ষমতায় এলে মেঘনা বিভাগের নাম পাল্টে কুমিল্লা বিভাগ দেবো।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মোস্তাক মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপি নেতা কাউসার জামান বাপ্পী, আমিরুজ্জামান আমির, সারোয়ার জাহান দোলন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারী আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু প্রমুখ।