টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বহুল আলোচিত যুবলীগ নেতা ফিরোজ আল-মামুন হত্যা মামলার বিচার ১০ বছরেও শেষ হয়নি। বিচারের অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তার বৃদ্ধ বাবা-মা। এ দিকে মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদিকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। নিহত ফিরোজ আল-মামুন উপজেলার আগ এলাসিন গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মামুনের সাথে ধলেশ্বরী নদীতে নির্মাণাধীন সেতুর বালু ও পাথর সরবরাহের ব্যবসা, টেম্পো-অটোরিকশা শ্রমিক সমিতির নির্বাচন ও মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সাথে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ২০১২ সালের ১২ এপ্রিল রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে ফিরোজ আল-মামুন বাড়ি ফিরছিলেন। তার বাড়ির কাছাকাছি আসার পর জাহাঙ্গীর, আনিছুর রহমান, কালু, রবি ও আমিনসহ অজ্ঞাত তিন-চারজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ফিরোজ আল-মামুনকে হত্যা করে।
ওই বছরের ২১ এপ্রিল টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নাজমুল নাহারের আদালতে দেলদুয়ার উপজেলার আগ এলাসিন গ্রামের মৃত ফজল মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন।
মামলার বাদি মা শামছুন্নাহার ও বাবা আলম মিয়া বলেন, আমরা বেঁচে থাকা অবস্থায় কি ছেলে হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে পারব না? আমাদের ছেলেকে যারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই; ছেলে হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে পারলে মরেও আমরা শান্তি পাবো।



