জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক সিনিয়র স্টাফ নার্সকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় লিটন মিয়া (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ভুক্তভোগী নার্স মঙ্গলবার রাতে ইসলামপুর থানায় ধর্ষণের চেষ্টা মামলা করেন।
অভিযুক্ত লিটন পাশের মেলান্দহ উপজেলার চাকদহ গ্রামের মো: কালু মিয়ার ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্সিং ডরমিটরি (শয়ন কক্ষে) অবস্থান করাকালীন ইলেকট্রনিক কাজ করার জন্য সেখানে উপস্থিত হন লিটন। একপর্যায়ে লিটন তার মাফলার ওই নার্সের গলায় পেচিয়ে ধরে এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। নার্সের চিৎকারে পাশের সহকর্মীরা এগিয়ে এলে লিটনকে হাতেনাতে আটক করে ইসলামপুর থানায় খবর দেয়।
থানার এসআই তারেক আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লিটনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
অভিযুক্ত লিটন বলেন, আমি ধর্ষণের চেষ্টা করিনি। ভুল বোঝাবুঝি থেকে আমার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। আমার গলায় মাফলার বাঁধার সময় মাফলারের একটা অংশ ওই নার্সের মুখে লাগে। পরে চুরির অভিযোগে আমাকে আটক করে হাত পা বেধে বেধরক মারপিট করে পুলিশে দেয়। এখন দেখছি ধর্ষণের চেষ্টার মামলা দিয়েছে ।
ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর ঘটনার তদন্ত চলছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারেক আহমেদ জানান, প্রথমে ভুক্তভোগী নার্স রাতে মামলাটি করেন। পরে তাকে ওই মামলায় গ্রেফতান দেখানো হয়।



