বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরবানিয়ারী উত্তরপাড়া গ্রামের সেতুর সংযোগ সড়কের কারণে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। সেতুটি এখন ১০ গ্রামের মানুষের জন্য ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই সাইকেল, ভ্যান ও নছিমনসহ বিভিন্ন যানবহন উল্টে পড়ছে সংযোগ সড়ক সংলগ্ন বংশধর বালার পুকুরে। একজন নিহত হওয়া ছাড়াও কমপক্ষে অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন। সর্বশেষ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন ছাব্বির গাজী (২৫) নামে এক নছিমন চালক। শুক্রবার দুপুরে এক দুর্ঘটনায় একটি নছিমন উল্টে পুকুরে পড়ে যায়।
এলাকাবাসী বলেন, সেতুর গোড়ায় বংশধর বালার জায়গা হওয়ায় তিনি সরকারিভাবে পাইলিং বা রাস্তা মেরামতের সময় কাজে বাধা দেন। আমরা সেতুর গোড়ায় পাইলিং ও রাস্তা মেরামতের জোর দাবি জানাই।
এ ব্যাপারে বংশধর বালা বলেন, সেতুর গোড়ায় পাইলিং ও রাস্তা মেরামতের কাজে আমি কখনো বাধা দেইনি।
চিতলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল বলেন, জায়গাটি চলাচলের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুর গোড়ায় পাইলিং ও রাস্তা মেরামতের জন্য একটি আবেদন পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।