উত্তরাঞ্চলের জেলা জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় এ বছর শিমের চাষ বেড়েছে। শিম চাষে সার, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ অন্যান্য সবজির তুলনায় কম হওয়ায় লাভ অনেক বেশি। এ কারণে এলাকার অনেক চাষি শিম চাষে এগিয়ে আসছেন। আগে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত স্থানে, উঠানে জাংলায় ও ছাদে গৃহিণীরা শিম গাছ লাগাতেন। এখন চাষিরাই বাণিজ্যিকভাবে নাইলন সুতা, জিআই তার ও বাঁশের খুঁটির মাচায় চাষ করছেন করলা, লাউ, পটোলের পাশাপাশি শিম। চাষিরা বলেন, অধিক বৃষ্টির ফলে জমিতে পানি জমে ফসলের গায়ে দাগ ধরে ও পচে যায় এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অপর দিকে পচা ও দাগ ধরা ফসল বাজারেও দাম কম।
উপজেলার চাম্পাতলী মাঠে উমর আলী ও আবু বক্করকে শিমের ক্ষেত পরিচর্যা করতে দেখা যায়। শিমের গাছের (লতা) ডগা ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। ডগার গোড়ায় ছোট ছোট শিমও ধরেছে। কৃষক বক্কর বলেন, এই জাংলায় প্রথমে করলা চাষ করেছিলাম। করলার শেষের দিকে শিম চাষ করেছি, ফুলও ধরেছে। তিনি আরো বলেন, শিমের দাম এখন ভালো। কিছুদিনের মধ্যে বাজারে বিক্রয় করতে পারলে অনেক লাভ হবে। কৃষক উমর আলী বলেন, এক বিঘা জমিতে শিম চাষ করতে খরচ হয় ৫ হাজার টাকা। মৌসুমের শুরুতে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা দরে, আর এখন দাম কমে প্রতি কেজি ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাতেই মোটামুটি লাভের আশা করছি।
পাঁচবিবি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফর রহমান জানান, আন্তঃফসল হিসেবে পাঁচবিবি উপজেলায় রয়েছে প্রায় ৫৫০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে রয়েছে আলুর সাথে ভুট্টা, আলুর সাথে মিষ্টি কুমড়া, বেগুনের সাথে মরিচ আবার একই সাথে লালশাক, কলমি, পালংশাক, শিম ও পেঁয়াজ।
পাঁচবিবিতে শিমের এত ফলন!
উত্তরাঞ্চলের জেলা জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় এ বছর শিমের চাষ বেড়েছে। শিম চাষে সার, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ অন্যান্য সবজির তুলনায় কম হওয়ায় লাভ অনেক বেশি।...



