শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের কিল্লাপাড়া গ্রামে প্রায় ২০ বছর ধরে অন্যের বাড়িতে বসবাস করছেন নি:সন্তান বিধবা শাফিয়া খাতুন। শেষ বয়সে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে থেকে মরতে চান ষাটোর্ধ্ব এই নারী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের কিল্লাপাড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর মেয়ে শাফিয়া খাতুন। বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার পাবিয়াজুরি গ্রামের তোফাজ্জলের সাথে। তোফাজ্জল অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকম সংসার চালাত। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০০০ সালের দিকে মারা যায় তোফাজ্জল। তাদের কোনো সন্তার ও কোনো ভিটেমাটিও ছিল না। স্বামী মারা যাওয়ার পর বাধ্য হয়েই সাফিয়াকে ফিরে যেতে হয় কিল্লাপাড়ায় বাবার আশ্রয়ে। বাবার মৃত্যুর পর পালক মেয়েসহ তার আশ্রয় হয় ভাইয়ের পতিত ভিটেয়। ভিক্ষা করে কোনো রকম খেয়ে বেঁচে আছেন তিনি। ভাই আবুল হাসেম স্ত্রী সন্তানসহ ঢাকায় কাজ করছে। ইতোমধ্যে ভাই আবুল হাসেম তার বোন সাফিয়াকে পতিত ভিটেটি ছেড়ে দিতে বলেন। কারণ কয়েক দিনের মধ্যেই তারা ঢাকা ছেড়ে নিজ বাড়িতে এসেই থাকবেন। এ কথা শুনে বিধবা সাফিয়ার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে।
বিধবা সাফিয়া খাতুন এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় গৃহহীনদের ঘর দিতেছে। আমার তো কোনো ঘর নেই। থাকার জায়গা নেই। আমি কী ঘর পাব না? রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আল মামুন বলেন, চেষ্টা করছি। কিন্তু আমার ইউনিয়নে সুবিধাজনক কোনো জায়গা নেই। তাই তাকে এ মুহূর্তে ঘর দিতে পারছি না। উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, সুবিধামতো জায়গা পেলে তাকে একটা ঘরের ব্যাবস্থা করে দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে থাকার আকুতি নিঃসন্তান শাফিয়া খাতুনের
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের কিল্লাপাড়া গ্রামে প্রায় ২০ বছর ধরে অন্যের বাড়িতে বসবাস করছেন নি:সন্তান বিধবা শাফিয়া খাতুন। শেষ বয়সে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে থেকে...



