সিলেটের গোলাপগঞ্জের পৌরসদরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে পৌর মেয়র ও কাউন্সিল গ্রুপের সংঘর্ষে রিয়াজ আহমদ (১৯) নামে একজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) রিয়াজ আহমদের বড় ভাই মো: রুমেছ আহমদ গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১২ জনের নামে মামলা করেন।

আহত রিয়াজ উপজেলার গোলাপগঞ্জ পৌরসভার দাড়িপাতন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত ফারুক মিয়ার ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগ নেতা ও গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল গ্রুপের সক্রীয় নেতা বলে জানা গেছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা চৌঘরী গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে সৌমিক শাহরিয়ার (২৯), গোলাপগঞ্জ পৌরসভার

টিকরবাড়ি গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে শিপু আহমদ (২৮), একই এলাকার আব্দুল মালিকের ছেলে মাহমুদ আহমদ

(৩২), ভাদেশ্বর পশ্চিমভাগ গ্রামের মৃত শফিকুর রহমানের ছেলে সানি রহমান (৩৩) ও একই এলাকার মো: সুলেমান

আহমদের ছেলে মিজানুর রহমান নাহিদ (২৬)।

মামলার এজহার ভূক্ত অন্য আসামিরা হলেন নাঈম আহমদ (২৫), ওহিদ আহমদ (২৬), মাহিন আহমদ (২২), আতিক

আহমদ (২৫) ও তোহেল আহমদ প্রমুখ।

প্রাপ্ত সংবাদে ও মামলার বিবরণে জানা যায়, বুধবার সন্ধা অনুমান ৭টার দিকে পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল

গ্রুপের নেতা রিয়াজ আহমদ উপজেলা সদরের ওয়াহাব প্লাজা মার্কেটের পাশে সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের রণি স্টোরের

সামনে আসামাত্র পূর্বশত্রুতার জের ধরে আগে থেকে উৎপেতে থাকা গোলাপগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের

অন্যতম নেতা রুহিন আহমদ খান গ্রুপের নাঈম আহমদের নেতৃত্বে মাহমুদ আহমদসহ ২০ থেকে ২২ জনের একদল সন্ত্রাসী মোটরাসাইকেলসহ মাথায় কালো হেলমেট পড়ে রাম দা ও অন্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে বেরিকেড দিয়ে হামলা চালিয়ে রিয়াজ আহদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত

অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে রিয়াজ আহমদকে উদ্ধার করে গোলাপগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক

তার অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে

রিয়াজ আহমদ গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীর রয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম।