মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশী মো: শরিফ উদ্দিন (৩৩) গত সোমবার সে দেশের আর-উনগুফারু আইল্যান্ড হাসপাতালে মারা যান। তার স্বজনদের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ায় তারা শরিফের লাশ আনতে পারছে না। ফলে চার দিন ধরে হাসপাতালের মর্গেই তার লাশ পড়ে আছে।
জানা গেছে, শরিফ উদ্দিন চাঁদপুর জেলার কছুয়া উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের ফকির বাড়ির মরহুম আলী একাব্বরের ছোট ছেলে। তার বাড়িতে অসুস্থ মা, স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে। শরিফের মামাতো ভাই আবুল হাসনাত হীরক ও বন্ধু মো: মাসুদুল হক বলেন, শরিফের পরিবার খুবই হতদরিদ্র। তাই তার পরিবারের পক্ষে শরিফের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো সামর্থ্য নেই। তবে শরিফের মা তার সন্তানের লাশ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য সমাজের বিত্তশালী ও মালদ্বীপ প্রবাসীসহ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সহযোগিতা কামনা করছেন।
এই বিষয়ে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (শ্রম) মো: সোহেল পারভেজ জানান, শরিফের পরিবারের সাথে কথা হয়েছে, তার লাশ শিগগির দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মালদ্বীপ পুলিশের মুখপাত্র স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, একজন অভিবাসী শ্রমিক উনগুফারু আঞ্চলিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে তার লাশ মালে সিটিতে এনে মর্গে রাখা হয়েছে। কিন্তু মৃতের পক্ষে দাবি করার নিকটতম এখন পর্যন্ত কাউকে পাননি এবং গত কয়েকদিন ধরে তার লাশ মর্গে পড়ে আছে।
চার দিন ধরে মালদ্বীপের মর্গে পড়ে আছে প্রবাসী শরিফের লাশ
মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশী মো: শরিফ উদ্দিন (৩৩) গত সোমবার সে দেশের আর-উনগুফারু আইল্যান্ড হাসপাতালে মারা যান। তার স্বজনদের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ায় তারা...



