হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় খোলাবাজারে কেজি প্রতি দাম বেড়েছে আট থেকে ১০ টাকা।

আমদানি বন্ধ থাকায় তিন দিনের ব্যবধানে হিলি বাজারে পেঁয়াজের এমন দাম বেড়েছে। ২২ টাকার ভারতীয় পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। আর দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকা কেজি দরে।

আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে পেঁয়াজের আইপির মেয়াদ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন হিলি বন্দরের আমদানিকারকরা।

পেঁয়াজ অমদানির আইপি বা আমদানি অনুমতিপত্রের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

আমদানিকারকরা বলছেন, বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে আবেদনের পরেও আইপির মেয়াদ বৃদ্ধি না করায় দেশে পেঁয়াজ আমদানি করা যাচ্ছে না।

জানা গেছে, ১৫ মার্চ বুধবার পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানির আইপি বা আমদানি অনুমতি পত্রের মেয়াদ। কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বুধবার আইপির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সেলিম রেজা জানান, আইপির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বানিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খামারবাড়ি ও উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিক থেকে আইপির মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। নতুন করে আইপির মেয়াদ না বাড়ায় পেঁয়াজ আমদানি করা যাচ্ছে না।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম জানান, পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ থাকলে আসন্ন রমজান মাসে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ সঙ্কট সৃষ্টি হবে। খোলাবাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাবে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ে। এ অবস্থায় আমদানি বন্ধ থাকলে দেশের বাজারে সরবরাহ সঙ্কট সৃষ্টি হবে বাড়বে পেঁয়াজের দাম। ক্ষতির মুখে পড়বে ভোক্তারা। সুযোগ নেবে পেঁয়াজ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা।

আসন্ন রমজান মাসে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আইপির মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ আমদানিকারকদের।