যশোরের শার্শায় সেচ নীতিমালা ভঙ্গ করে পেশিশক্তি দেখিয়ে চলমান গভীর নলকূপ বন্ধ করে ২০০ ফুটের মধ্যে আরেকটি নলকূপ স্থাপন করেছে বালুন্ডা গ্রামের প্রভাবশালী শাহাজুল আউলিয়া ও কামাল হোসেন আউলিয়া। বালুন্ডা মৌজার আরএস ৮৮৬ খতিয়ানের ৪৬২০ দাগের ২২ শতক জমির ওপর ২০ বছর আগে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। এ নলকূপ ব্যবহার করে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে বিভিন্ন মৌসুমে চাষাবাদ করে আসছেন বালুন্ডা গ্রামের শফিকুর রহমান। তার নিজের ও ভাইদের ৪৫ বিঘা জমিসহ গ্রামের অন্যান্য প্রান্তিক চাষির প্রায় ১১০ বিঘা জমিতে বোরো, আউশ, আমনসহ সব ফসল আবাদে সেচ দেয়া হতো এই নলকূপ থেকে।
একই গ্রামের কামাল হোসেন আউলিয়া ও তার ছেলে শাহাজুল আউলিয়া পেশিশক্তির প্রভাবে গত বছরের ১৯ জুন সেচনীতি ভঙ্গ করে ২ হাজার ফুটের পরিবর্তে ২০০ ফুটের মধ্যে গভীর নলকূপ স্থাপন করে সেচকাজ পরিচালনা করছে। তারা আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আগে স্থাপিত গভীর নলকূপের মালিক শফিকুর রহমানের জমিসহ সাধারণ কৃষকদের জমিতে তাদের নলকূপের মাধ্যমে সেচকাজ পরিচালনা করতে বাধ্য করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রান্তিক চাষি বলেন, আমাদেরকে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোয় আমরা তার সেচের পানি নিতে বাধ্য হচ্ছি। তবে শফিকুর রহমানের মালিকানাধীন গভীর নলকূপটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ শাহাজুল আউলিয়া ও কামাল আউলিয়া। ২০ বছর আগে শফিকুর রহমানের নির্মিত প্রতিটি পানির ড্রেন প্রতিপক্ষরাই জোর পূর্বক ব্যবহার করছে। এ ঘটনায় আইনগত অধিকার চেয়ে গত বছরের ২১ জুন শার্শা সহকারী জজ আদালত যশোর থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ ও সেচ কমিটি কর্তৃক লাইসেন্স না দেয়ার জন্য শফিকুর রহমান একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে পটুখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফ্ফার সরদার জানান, ঘটনাটি তিনি জানেন এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি করার জন্য কয়েক দফায় মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো পক্ষই এগিয়ে আসেনি।
শার্শায় গভীর নলকূপ বন্ধ করে সেচ নিয়ে জবরদস্তি
যশোরের শার্শায় সেচ নীতিমালা ভঙ্গ করে পেশিশক্তি দেখিয়ে চলমান গভীর নলকূপ বন্ধ করে ২০০ ফুটের মধ্যে আরেকটি নলকূপ স্থাপন করেছে বালুন্ডা গ্রামের প্রভাবশালী শাহাজুল আউলিয়া...



