শেরপুর শ্রীবরদীতে একজন ইমামকে গালাগালি ও মারধরের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে মাদরাসার ছাত্রসহ এলাকাবাসী।

বুধবার দুপুরে (১২ এপ্রিল) মিছিলটি উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙা মদিনাতুল উলুম মাদরাসা থেকে হয়। এরপর বাজার প্রদক্ষিণ করে চার রাস্তার মোড়ে মানববন্ধনের মাধ্যমে শেষ হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামা কবির, রানীশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত ওয়াছেক বিল্লাহ বিল্লাল, সহ-সভাপতি এম এ মোনায়েম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত রনি প্রমুখ।

গত ১০ এপ্রিল ভায়াডাঙা সিনিয়র আলিম মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ওয়াজ মাহফিল। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। ওয়াজ মাহফিল শুরুর আগে বাজারের সড়কের পাশে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে ভায়াডাঙা মদিনাতুল উলুম কওমি মাদ্রাসার মোহতামিম ও ভায়াডাঙা আসান্দিপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো: আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রানীশিমুল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে মোটরসাইকেল ফেলে দেন। এ সময় ওই ইমাম মোটরসাইকেল তুলতে গেলে চেয়ারম্যান তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে অংশগ্রহণকারীরা।

এ ব্যাপারে ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল রেখেছিলাম। হঠাৎ চেয়ারম্যান এসে আমার গাড়িটি ফেলে দেন। পরে আমি গাড়ি তুলতে গেলে তিনি আমার গায়ে হাত তোলেন।

এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ বলেন, আমি মোটরসাইকেল ফেলে দিয়েছি। কিন্তু আমি তাকে শারীরিক কোনো নির্যাতন করিনি।

থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনা শুনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি।