তুচ্ছ ঘটনার জেরে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঢাকাস্থ ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও তার দুই বোন ও মা-বাবাকে পটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্লাস্টিক পানির পাইপ সরানোকে কেন্দ্র করে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পানিহাতা গ্রামের জাবেদ আলী ওরুফে জুলমত আলী তার দুই ছেলে ইসমাইল ও সোলায়মানসহ আরো কয়েকজনে মিলে পিটিয়ে তাদের আহত করে। গত বুধবার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় পাশের বাড়ির বৃদ্ধ কৃষক কেরামত আলী, তার স্ত্রী, তাদের স্কুল-কলেজে পড়–য়া তিন সন্তানসহ পাঁচজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের নিজ বাড়িতে এসে বেধড়ক মারধর ও আঘাত করেছে। গুরুতর আহত সাবিনা ইয়াছমিন (২৩) তার মুখের ডান পাশের দুইটি দাঁত ভেঙে যাওয়াসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাত্মক জখম করায় সে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রক্তাক্ত ভার্সিটি ছাত্রী সাবিনা, বৃদ্ধ বাবা-মাসহ তাদের পাঁচজনকে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎিসা নিয়ে চারজন বাড়ি ফিরে গেছে। সাবিনার শারীরিক অবস্থা আরো অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হতে পারে হবে বলে জানিয়েছেন তার পরিবার। এ দিকে ছোট মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী তানিয়াকে (১৬) হাতে ও শরিরে আঘাত করায় সে আর তার ডান হাত দিয়ে লিখতে পারছে না। রোজার পরই তার এসএসসি পরীক্ষা। এ ঘটনায় সাবিনার বাবা কেরামত আলী বাদি হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় গত ১৪ এপ্রিল শুক্রবার একটি অভিযোগ করেছে।
রামচন্দ্রকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খোকা বলেন, জুলমত আলী অহেতুক কেরামত আলী তার পরিবারকে তুচ্ছ ঘটনায় মারধর করেছে। পরে এলাকায় এটির উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছিল। জুলমত আলী সে সালিস মানেনি। পরে থানায় মামলা হয়েছে।
নালিতাবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আসছে। তদন্ত সাপেক্ষে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



