হাতি আর মানুষের দ্বন্দ্ব চলছেই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে। হাতির ভয়ে সীমান্ত এলাকার মানুষ প্রাণভয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। কিছুদিন পরপরই হাতির আক্রমণে মানুষের মৃত্যুর সংবাদ আসছে, আতঙ্কিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
ভারতীয় বুনো হাতিরদল খাবারের সন্ধানে নেমে আসে সীমান্তের সমতল ভূমিতে। এসেই ক্ষতি করতে শুরু করে মানুষের বাড়িঘর, ক্ষেত-খামার, বোরো ধান ও ফসলি জমির। সীমান্ত এলাকা কড়ইতলী, কোচপাড়া, রঙ্গমপাড়া, বানাই চিরিঙ্গিপাড়া, কাটাবাড়ী, গোবরাকুড়া, গাবরাখালী, ডুমনিকুড়ার বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই দেখা মিলছে বুনো হাতির দল ও তাদের ধ্বংসযজ্ঞের। এসব গ্রামে বোরো ধান, করলা, ঝিঙ্গা, লাউ, কুমড়া, মিস্টি কুমড়া, বেগুন, কলাসহ শাকসবজি, ফসল ও ফলফলাদির ব্যাপক আবাদ হয়ে থাকে।
সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ৪০-৪৫ টি হাতি সীমান্তে অবস্থান করে। খাবারের সন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে হাতিগুলো ভারতীয় কাঁটাতার উপেক্ষা করে বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে পড়ে। কৃষকরা ফসল বাঁচাতে টর্চ লাইট, পটকা, মশাল জ্বালিয়ে ও ঢোল পিটিয়ে রাত জেগে পাহারা দিয়ে থাকে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুর বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জানান, সাধারণ মানুষকে আমরা সার্বক্ষণিক সতর্ক করে যাচ্ছি এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন সহযোগিতা করছি। হাতি তাড়ানোর জন্য গাজিরভিটা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট তিনটি জগলাইট দেয়া হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা আফসানা জানান, স্থানীয় পর্যায়ে টিম গঠন করার চেষ্টা চলছে। তা ছাড়া হাতি তাড়ানোর জন্য ঢোল, জগলাইট, পটকাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দেয়া হচ্ছে। সেই সাথে কৃষকদেরকে হাতির কাছাকাছি না যাওয়ার জন্যও সতর্ক করা হচ্ছে।
হালুয়াঘাট সীমান্তে হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব চলছেই
হাতি আর মানুষের দ্বন্দ্ব চলছেই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে। হাতির ভয়ে সীমান্ত এলাকার মানুষ প্রাণভয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। কিছুদিন পরপরই হাতির আক্রমণে মানুষের মৃত্যুর সংবাদ আসছে,...



