কক্সবাজারের পেকুয়ায় আগুনে ১৩ বসতবাড়ি ও একটি দোকানঘর পুড়ে গেছে।

শনিবার (৬ মে) ভোররাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম বাইম্যাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আগুনে পুড়ে আহত হয়েছেন এক নারী। নাম রোকেয়া বেগম। তিনি একই এলাকার আকতার হোসেনের স্ত্রী। তাকে পেকুয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পেকুয়া দমকল বাহিনীর লোকজন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সকালে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বিতা চাকমা ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে সোহেলের কুলিং কর্ণার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পাশের মরহুম বশরত আলীর ছেলে পেকুয়া বাজারের হকার মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী আকতার হোসেন, সবজি ব্যবসায়ী কামাল হোসেন, পেকুয়া বাজার হকার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বাদশাহ, তার ভাই হকার মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী জুনাইদ, জুতা ব্যবসায়ী রিদুওয়ান, মরহুম গুরামিয়ার ছেলে আশত আলী, আশত আলীর ছেলে মনিহারি ব্যবসায়ী নেজাম উদ্দিন, বাবুর্চি আব্দু শুক্কর, বাবুর্চি জসিম উদ্দিন, ভাঙারি ব্যবসায়ী নুরুল আজিম, মরহুম এশত আলীর ছেলে হকার মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন ও সবজি ব্যবসায়ী মো: সোহেলের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা শোয়াইব হোসেন মুন্সি বলেন, রাত ৩টার দিকে আমরা ৯৯৯-এর মাধ্যমে জানতে পারি বাইম্যাখালী এলাকায় আগুন লেগেছে। সাথে সাথে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যে ১৩টি বসতবাড়ি পুড়ে গেছে সে ঘরগুলো গাছ-বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। ফলে আগুনের তীব্রতা বেশি ছিল। ১৩ বসতবাড়ি ও এটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও কাপড় বিতরণ করা হয়েছে। তাদের পর্যাপ্ত সহযোগিতার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমি একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।

পেকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর ইউপির চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ।