ভোলার লালমোহনে বাবার রেখে যাওয়া বসতভিটা দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সেই ভিটা উদ্ধারে স্থানীয় সালিসদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সন্তানরা। ঘটনাটি উপজেলার ধলী গৌরনগর ইউনিয়নের চরমোল্লাজী গ্রামের। এ গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিন মিস্ত্রির রেখে যাওয়া বসতভিটা জবর-দখলের অভিযোগ উঠেছে একই বাড়ির জালাল আহমদের ছেলে জামাল উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগ করে মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে ইউসুফ মিয়া বলেন, এ ভিটাতেই থাকতেন তার বাবা। ২০০০ সালে বাবার মৃত্যুর পর আমরা কাজের তাগিদে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে থাকার সুবাদে বাবার ভিটা খালি থাকে। এ সুযোগে একই বাড়ির মৃত জালাল আহমদের ছেলেরা ওই ভিটা দখল করে ঘর তোলে। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়। তবে প্রতিপক্ষরা কাগজপত্র না দেখিয়ে বারবারই সময় নিয়ে কালক্ষেপণ করছে।
ইউসুফ আরো বলেন, প্রায় ৩ মাস আগে এ বিষয়ে লালমোহন থানায় অভিযোগ করি। সেখানেও তারা কাগজপত্র দেখাতে না পেরে বৃহস্পতিবার (৫ মে) পর্যন্ত সময় নেয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার তারা আর ফয়সালায় বসেনি। এ দিকে বাবার ভিটাও তাদের জবর-দখলে। আমরা সাত ভাই ও চার বোন। আমাদের বাবার রেখে যাওয়া বসতভিটা উদ্ধারের জন্য খতিয়ান-দলিলপত্র নিয়ে স্থানীয় সালিসদারের দ্বারে দ্বারে কয়েক বছর ধরে ঘুরছি, কিন্তু কেউই আমাদের সঠিক ফয়সালা দিচ্ছেন না। আমরা প্রধানমন্ত্রী, এমপি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৃত জালাল আহমদের ছেলে জামাল বলেন, ইউসুফের বাবা জয়নাল আবেদিন মৃত্যুর আগে এ জমি অন্যের কাছে বিক্রি করে গেছেন। আমরা ওই ক্রেতার কাছ থেকে কিনেছি। যার দলিলাদিও রয়েছে।
লালমোহন থানার এএসআই মোশারফ জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সালিসি চলমান রয়েছে।
লালমোহনে বাবার বসতভিটা উদ্ধারে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সন্তানরা!
ভোলার লালমোহনে বাবার রেখে যাওয়া বসতভিটা দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সেই ভিটা উদ্ধারে স্থানীয় সালিসদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সন্তানরা। ঘটনাটি উপজেলার ধলী গৌরনগর ইউনিয়নের...



