কক্সবাজারের পেকুয়ায় সন্তানের সামনেই স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (২৮) উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে খুন করেছে স্বামী। এ সময় বোনকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছেন ঘাতকের শ্যালিকা তানজিনা আফরিন (২৫)। পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান ছালেহা বেগম।
নিহত ছালেহা বেগম কুতুবদিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকার রাজিউল্লাহর স্ত্রী। আটক রাজিউল্লাহ রাজি (২৫) একই এলাকার শামসুল আলমের ছেলে।
জানা গেছে, ছালেহা বেগম ও তার ছোট বোন তানজিনা আফরিন চকরিয়ায় বোনের বাসা থেকে কুতুবদিয়ায় বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হন। সিএনজি অটোরিকশা করে মগনামা লঞ্চঘাটে যাওয়ার পথে পেকুয়া সদরের পূর্ব বাইম্যাখালী বড় কবরস্থানসংলগ্ন জায়গায় পৌঁছালে স্বামী রাজিউল্লাহ তাদের গতিরোধ করে। এ সময় রাজিউল্লাহ গাড়ির ভেতরেই ধারালো ছোরা দিয়ে ছালেহা বেগমকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় গাড়িতে থাকা ছোট বোন আফরিন বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে সে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজিউল্লাহ মোটরসাইকেল নিয়ে অটোরিকশাটি তাড়া করে। এ সময় মোটরসাইকেলে তার এক ছেলেও ছিল। ছেলের সামনে মা ও খালাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আহত করে। উত্তেজিত জনতা এ সময় হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
রাজিউল্লাহ পেকুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরে পিয়ন পদে চাকরি করে বলে জানা গেছে।
পেকুয়া থানার এএসআই মোহাম্মদ হেশাম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে ঘাতক স্বামীকে আটক করেছি। পারিবারিক কলহের দ্বন্দ্বে তাকে খুন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লিখিত এজাহার পেলে পুরো বিষয়টি জানা যাবে।
পেকুয়ায় সন্তানের সামনে স্ত্রীকে খুন ঘাতক স্বামী আটক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সন্তানের সামনেই স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (২৮) উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে খুন করেছে স্বামী। এ সময় বোনকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছেন ঘাতকের শ্যালিকা তানজিনা আফরিন (২৫)।...



