টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সহবতপুর ইউনিয়নের মাইলজানি এলাকায় খুব ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে একটি সেতু। যেকোনো মুহূর্তে দুই ইউনিয়নের যোগাযোগ রক্ষাকারী এ সেতুটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০ ফুট দীর্ঘ সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কটির অর্ধেক ধসে গেছে। খুব ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছে যানবাহন। এ ছাড়া সাইড ওয়াল ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে এবং সেতুর মূল অংশটির একবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত চার বছর ধরে এভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে সেতুটি। এই সেতুতে গত ৩ মাসে অন্তত পাঁচটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অথচ সেতুটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক এমদাদ হোসেন বলেন, এই সেতু ব্যবহার করে দুই ইউনিয়নের মধ্যে মানুষ যাতায়াত করে থাকে। সেতুর সাইড ওয়াল পুরোটা ভেঙে গেছে বলে সড়ক ধসে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। যেকোনো সময় এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।

ইজিবাইক চালক আব্দুল সালাম বলেন, এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করা খুব কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে ইতোমধ্যে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। কেউ সেতু সংস্কারে এগিয়ে আসেনি। আমাদের দাবি, দ্রুত এই সেতু সংস্কার করা হোক।
সহবতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ মোল্লা বলেন, আমি এর আগে সেতুটি সংস্কার করেছিলাম। সেতুর ওপর ঢালাই করা হয়েছিল। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে আবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে এই সেতুতে চলাচল খুব ঝুঁকিপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই সংস্কার কাজ করা হবে।
নাগরপূর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নাগরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাস দুলাল বলেন, মাসিক সমন্বয় সভায় সেতুটির ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।