আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার পরও একের পর এক মামলার আসামি হতে হয়েছে, ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে, দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। তাই অভিমানে দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর ইছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম ফারুক। যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি তার একটি স্ট্যাটাসে শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেন।
বর্তমানে শামসুল ইসলাম ফারুক (এসআই ফারুক) ফ্রান্সে রয়েছেন। অব্যাহতির সত্যতা জানিয়ে তিনি বলেন, অব্যাহতিপত্রের অনুলিপি কেন্দ্র, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এসআই ফারুক আরো বলেন, ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল ও ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সময় সাতটি মামলার আসামি হয়েছি। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় একাধিকবার জেল খাটতে হয়েছে। দুর্দিনে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছি। এখন আওয়ামী লীগের সুসময়। এ সময় এসে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাঁচটি মামলায় আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আসামি করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ করায় মামলায় আমাকে আসামি হতে হবে এটি কখনো কল্পনা করিনি। দলের পদে থাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির পদ-পদবিও হারিয়েছি।
রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিক মাহমুদ পিন্টু বলেন, আমি ফেসবুকে দেখেছি। এখনো কোনো চিঠি পাইনি। আগে চিঠি পাই, তারপর দেখা যাক কী করা যায়।