বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্প্রে পার্টির ভয়ে আতঙ্কে সময় পার করছে স্থানীয়রা। চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে অজ্ঞান করে লুট করে নিচ্ছে নগদ টাকা ও গহনা। চার মাসে ৩৬টি বাড়ি লুট হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর সবাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। কেউ কেউ সুস্থ হলেও দীর্ঘ দিন থাকছে চেতনানাশকের প্রভাব। থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি। ফলে জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে কিংবা দিনে নিখুঁতভাবে লুট করছে চোর সদস্যরা।
গত মঙ্গলবার দিনে দুপুরে পৌরসভার বাসস্টান্ড এলাকায় দু’টি বাড়িতে চুরি হয়েছে বলে বাড়ির মালিক ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন। এছাড়া অধ্যাপক আউয়াল, শিক্ষক মেহেদী হাসান, ফরেস্টার ওবায়দুল হক ও মনির হোসেনের বাড়িতে চেতনানাশক ছিটিয়ে চুরি হয়েছে বলেও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেয়া তথ্য মতে, চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৪টি বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রেতে আহত হয়ে নারী-পুরুষ-বৃদ্ধা-শিশুসহ ৩৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, অজ্ঞান করে চুরির ঘটনায় আজ পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। খবর পেয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয়। চুরির ধারাবাহিকতায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে উপজেলাবাসী।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুর রহমান বলেন, রাতভর থানা পুলিশ দায়িত্ব পালন করে। যেসব ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ তদন্ত করছে। কেউ মামলা করতে রাজি হয় না। আমরা অপরাধীদের চিহ্নিত করে আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছি।



