মুন্সীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে মামলার বাদিসহ তার পরিবারকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের উত্তর কেওয়ার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ দিকে হামলাকারীদের মারধরে গুরুতর আহত হন সামছুদ্দিন খন্দকার ((৪২), তার স্ত্রী আছমা বেগম (৩৬) ও তাদের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৮)। আহতরা বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধর্ষিতা হয়ে বিচার চাওয়াটা অন্যায় হয়েছে বলে মনে করছেন বাদিপক্ষ। মামলা করেও আইনগত তেমন সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ এই পরিবারটির।
জানা গেছে, দরিদ্র কৃষক সামছুদ্দিন খন্দকারের মেয়ে লামিয়া আক্তারকে (১৪) একই গ্রামের মঞ্জিল দেওয়ান নামে এক ব্যক্তি এক বছর আগে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ধর্ষক মঞ্জিল দেওয়ানের বিরুদ্ধে লামিয়া আক্তারের মা আছমা বেগম মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত ধর্ষক মঞ্জিল দেওয়ানকে আটক করতে পারেনি।
এ দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি তারিকুজ্জামান বলেন, রোববার রাতেই দারিদ্র কৃষক সামছুদ্দিন খন্দকার থানায় অভিযোগ করেছেন। তাদের মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
মুন্সীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে মামলার বাদিসহ তার পরিবারকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর...



