জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে প্রধান নদ-নদীসহ শাখা নদী জিঞ্জিরাম ও মহারানীসহ অন্য নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। গত তিন দিন থেকে এই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গাড়ো পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টিপাতে এসব পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণ বলে জানা যায়। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীর পাড় ও নিম্নাঞ্চলের ফসলাদি ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নের মেম্বার মনছুর আলী জানান, শনিবার থেকে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করেছে। এতে করে নিম্নাঞ্চলের বাদাম, পাট, তিল, কাউন ও চিনাসহ অন্য ফসলাদি তলিয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের শহিদুল, সন্তোষ, সাখাওয়াত, খলিল, লাইলী, কালা মিয়া, হাসিনা, এনামুল এবং চিকাজানী ইউপির বড়খাল গ্রামের আসলাম, তোতা, জয়নাল, শাওন, হাসনা, আমিনুল, ছামিউল ও জাহাঙ্গীরসহ অন্যরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নিচু এলাকার ফসলাদি ডুবে গেছে। এছাড়া যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।

উপজেলার চুনিয়াপাড়া গুলুঘাট হতে মন্ডল বাজার-বড়খাল-হলকারচর-ফুটানি বাজার এলাকার মধ্য দিয়ে নির্মিত্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন স্থানের খুব কাছে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আসছে বন্যায় এ বাঁধের কোনো স্থান ভেঙে গেলে হাজার হাজার একর জমির ফসলাদি ও বাড়িঘর ডুবে ও ধ্বংস হয়ে যাবে। বন্যা শুরু হওয়ার পূর্বেই বাঁধটির সংরক্ষণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসী ত্রাণ সাহায্য নয় তারা শক্তিশালী একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের জোরাল দাবি জানিয়েছেন।