বরিশালের বানারীপাড়ায় স্কুলছাত্রী গণধর্ষণে সহযোগী ইয়াছিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে বরিশালে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ও র‍্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভিকটিম জানান, যে পরিত্যাক্ত ঘরে গণধর্ষণ হয়েছিল, ইয়াছিন ওই ঘরের কেয়ারটেকার ছিল। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এ ঘটনা ঘটেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুন রোববার রাতে উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাখারিয়া গ্রামের প্রবাসী শহিদুল ইসলাম শহিদের স্ত্রী রুবিনা আকতার ছবি বাসায় একা থাকার অজুহাত দেখিয়ে নার্গিস বেগমের দশম শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া ওই মেয়েকে তার সাথে ঘুমানোর জন্য অনুরোধ করেন। মায়ের সম্মতিতে তার ঘরে ঘুমাতে গেলে রাত ১২টার দিকে রুবিনা আক্তার ছবি ওই ছাত্রীকে ঘুম থেকে উঠিয়ে পরিকল্পিতভাবে একই গ্রাামের জলিল হাওলাদারের ছেলে সোহাগ (২৩) ও সায়েদ মোল্লার ছেলে মেহেদীর (২৭) হাতে তুলে দেয়। এ সময় সে ভয়ে চিৎকার দিতে গেলে তার ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে এবং বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে পাশের পরিত্যাক্ত একটি বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ও ভিডিও ধারণ করে।

সূত্র আরো জানায়, এ ঘটনায় পরের দিন ১২ জুন সোমবার ভিকটিমের মা নার্গিস বেগম সোহাগ (২৪), মেহেদী (২৭) ও রুবিনা আক্তার ছবির বিরুদ্ধে বানারীপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরপরই আসামিরা আত্মগোপন করে।

উল্ল্যেখ্য, এর আগে গত ১৯ জুন মামলার ১ নম্বর আসামি সোহাগকে বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার অপর দুই আসামি মেহেদী (২৭) ও প্রবাসীর স্ত্রী রুবিনা আক্তার ছবিকে (৩৮) গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী।