ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া সনদে ১৩ বছর শিক্ষকতা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এক স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাঈদা ইসলাম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকার পারপুগী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক। সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে তার সনদ জালিয়াতি ধরা পড়েছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারপুগী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সাঈদা ইসলাম ২০০৯ সালের ৩ জুন নিয়োগ লাভ করেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালের ১ অক্টোবর তিনি এমপিওভুক্ত হন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চলতি বছরের ৭ মে সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী সাঈদা ইসলামের নিবন্ধন সনদ যাচাইয়ের জন্য পাঠান। এনটিআরসিএ’র যাচাই প্রতিবেদনে ওই শিক্ষিকার নিবন্ধন সদনটি জাল বলে এনটিআরসি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ২০ জুন এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সনদ যাচাই প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাঈদা ইসলাম, রোল নম্বর ২১১৮০০৬৭, রেজিস্ট্রিশন নম্বর ৭০০৭৯৯৩, বিগত ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ব্যাচের পরীক্ষায় কম্পিউটার বিষয়ে উত্তীর্ণ হিসেবে যে নিবন্ধন সনদটি দাখিল করেছেন সেটা জাল ও ভুয়া। এ বিষয়ে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ও ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অনুলিপি পাঠিয়েছে।