বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, সরকারের ব্যার্থতা, দুর্নীতি এবং ভ্রান্তনীতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং তীব্র অর্থনৈতিক সঙ্কটে মানুষের মনে ঈদের আনন্দ নেই।

শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ধারা গ্রামে নিজ বাড়িতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, সরকার পরিস্থিতিকে এতটাই অসহনীয় করে তুলেছে যে- সামাজিক বা ধর্মীয় উৎসব আয়োজন জনগণের কাছে 'পানশে' হয়ে গেছে। উৎসব আয়োজন জনগণের দীর্ঘশ্বাসে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী নেতাকর্মীরা জনগণের কল্যাণে নয়, দুর্নীতি লুটপাট করে নিজেরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। তারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে জনগণকে সীমাহীন কষ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী সরকারকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ জানে, নিরপেক্ষ সকারের অধীনে নির্বাচনে তাদের শোচনীয় পরাজয় নিশ্চিত । সেজন্য আবারো তারা বিএনপিসহ বিরোধী দল ও ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করছে। এবার আর কোনো ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না উল্লেখ করে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন ২০১৪ বা ২০১৮ সালের মতো নির্বাচনের নামে প্রহসন করতে গেলে জনগণ সমুচিত জবাব দেবে।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, সদস্য হাফেজ আজিজুল হক, হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, আসলাম মিয়া বাবুল, আরফান আলী, আবু হাসনাত বদরুল কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আমজাদ আলী, আলী আশরাফ, আলমগীর আলম বিপ্লব, বিএনপি নেতা কাজী ফরিদ আহমেদ পলাশ, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই, মিজানুর রহমান মিজান, আবদুল হামিদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামসুল হক, সহ সভাপতি আবদুল আজিজ খান, সানোয়ার হোসেন, তারিকুল ইসলাম চঞ্চল, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা হোসনে আরা নীলু, সহ সভানেত্রী ও উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম ময়না, জেলা জাসাস সভাপতি শফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাইমুর আরেফীন পাপন, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব তাজবীর হোসেন অন্তর, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক মাঈনুদ্দিন বাবুল, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল গণি, উপজেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক আকিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব আলী আজগর, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেনসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।