নওগাঁর মান্দায় এক নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে ফজলে রাব্বী (৩০) নামের তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

আটক ফজলে রাব্বী উপজেলার এনায়েতপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে ও মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজের কম্পিউটার অপারেটর।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর সাথে প্রায় ৮ মাস আগে উপজেলার মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজের শিক্ষক ফজলে রাব্বীর পরিচয় হয়। সেই পরিচয় থেকে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রলোভনে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে প্রেমিক ফজলে রাব্বী কৌশলে গর্ভের ১ম সন্তান নষ্ট করে দেয়। এরপর আবারো ধর্ষণের ফলে তার গর্ভে সন্তান জন্ম নেয়। ঘটনাটি গত ২৭ জুন ফজলে রাব্বীকে জানিয়ে বিয়ের কথা বলেন। কিন্তু রাব্বী বিয়ে করতে অস্বীকার করায় গত শুক্রবার রাতে মান্দা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মেহেদী মাসুদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করেন ওই নারী। মামলার পর রাতেই ফজলে রাব্বীকে আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা নওগাঁ সদর হাসপাতালে সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।