নওগাঁর মান্দা উপজেলার মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ফজলে রাব্বির বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মামলার বাদি একটি ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে এই ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ দিকে মামলা দায়েরের এক ঘণ্টার মধ্যে কোনো তদন্ত ছাড়াই পুলিশ বিবাদি ফজলে রাব্বিকে (২৮) আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত ফজলে রাব্বি পেশায় একজন অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর। এর পাশাপাশি তার একটি পেয়ারা বাগান রয়েছে। অপর দিকে মামলার বাদি কুসুম্বা ইউনিয়নের ছোট বেলালদহ গ্রামের (মেডিক্যাল মোড় এলাকার) বাসিন্দা। সম্প্রতি পেয়ারা বাগানে পেয়ারা নিতে গিয়ে ফজলে রাব্বিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার আশ্রয় নেন মামলার বাদি ওই নারী।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এভাবে প্রতারণার ফাঁদ পেতে ওই নারী ইতঃপূর্বে একাধিক ছেলেকে ফাঁসিয়েছেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন তিনি নিজের তৈরি এক বিলাসবহুল বাড়িতে বসবাস করেন। এলাকায় তার প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজন থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে টু-শব্দটিও করতে পারে না।
মামলার প্রমাণস্বরূপ ওই নারী স্থানীয় আইডিয়াল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে যে প্রতিষ্ঠানের দেয়া প্রেগন্যান্সি টেস্টের রিপোর্টের কপি জমা দিয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রারের খাতায় এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রমাণাদি নেই। প্রেগন্যান্সি রিপোর্টে জাহিদ হাসান নামে যে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের (ল্যাব) নাম ও পদবি উল্লেখ করা হয়েছে তিনি ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারেরও কেউ নন বলে জানিয়েছেন আইডিয়াল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকের মালিক গ্রুপের পরিচালক আমিনুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জানতে মামলার বাদি ওই নারীর মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোনলাইন কেটে দেন। পরবর্তীতে তাকে মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি আর রিসিভ করেননি।
মান্দায় প্রেগন্যান্সির ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে ধর্ষণ মামলা কলেজ স্টাফ জেলহাজতে
নওগাঁর মান্দা উপজেলার মান্দা কারিগরি ও কৃষি কলেজের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ফজলে রাব্বির বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মামলার বাদি একটি ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট...



