এবার নোয়াখালীর বধূ হলেন ল্যাটিন আমেরিকার দেশ পেরুর এক তরুণী। বাংলাদেশী যুবকের প্রেমের টানে সুদূর ল্যাটিন আমেরিকার দেশ পেরু থেকে নোয়াখালীতে ছুটে এলেন আনা কেলি কারাঞ্জা সাওসিডো নামের ওই তরুণী।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) কারাঞ্জা সাওসিডোরকে চাটখিলে নিয়ে যান আরমান। ভিনদেশি এই নববধূকে দেখতে আরমানের বাড়িতে ভিড় করছে আশপাশের মানুষ।

ভালোবেসে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ঘাটলাবাগ এলাকার বারাই বাড়ির নুর আলমের ছেলে মো: আরমান হোসেনকে বিয়ে করেন ।

জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেসবুকে আরমানের সাথে পরিচয় হয় পেরুর তরুণী কারাঞ্জা সাওসিডোর। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব গড়ায় ভালোবাসার সম্পর্কে। ছয় বছরের ভালোবাসা পূর্ণ হয় বিয়ের মাধ্যমে। ২ জুলাই পেরু থেকে বাংলাদেশে আসেন কারাঞ্জা সাওসিডোর। ঢাকায় বিমানবন্দরে তাকে রিসিভ করেন আরমান। ওই দিনই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দু’জন। কিছুদিন ঢাকায় থাকার পর বৃহস্পতিবার কারাঞ্জা সাওসিডোরকে চাটখিলে নিয়ে যান আরমান। বর্তমানে তারা নিজ বাড়িতেই বসবাস করছেন। ভিনদেশি পুত্রবধূ পেয়ে খুশি আরমানের পরিবারও।

আরমান হোসেন বলেন, আনা কেলি কারাঞ্জা সাওসিডোর সাথে আমার মোবাইলে পরিচয় এবং বন্ধুত্ব হয়। ছয় বছর আমাদের মোবাইলেই কথা হয়েছে। তাকে কখনো সরাসরি দেখার সুযোগ হয়নি। দুজনে মিলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। সে অনুযায়ী কারাঞ্জা সাওসিডো বাংলাদেশে এলে আমরা বিয়ে করি। নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

কারাঞ্জা সাওসিডোর ইংরেজিতে বলেন, আমাদের ভালোবাসার সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে আমি নিজ ইচ্ছায় আরমানের কাছে ছুটে এসেছি। সবার কাছে দোয়া চাই, আমরা যেন সুখী হতে পারি।

এর আগে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে নোয়াখালীর বধূ হয়েছেন এক মালেশীয়ান তরণী। ২৫ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে কনে স্মৃতি আয়েশা বিন রামাসামি (২২) বর ফরহাদ হোসেন (২৬) তাদের ভালোবাসার পূর্ণতা দেন।

খবর পেয়ে অনেকেই মালয়েশীয় নববধূ দেখতে ছুটে যান বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজিপুরের বাড়িতে। বর্তমানে ফরহাদের সাথে হাজীপুরেই সংসার করছেন মালয়েশীয় ওই তরুণী।