কক্সবাজারের পেকুয়ায় বন বিভাগের জায়গায় ভবন নির্মাণের ধুম পড়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে এসব ভবনের নির্মাণকাজ চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের অধীনে পেকুয়া উপজেলায় তিনটি পাহাড়বেষ্টিত ইউনিয়ন রয়েছে। সেগুলো হলো টইটং, শিলখালী ও বারবাকিয়া। ওই পাহাড়ি এলাকার অধিকাংশ জায়গা সরকারি রিজার্ভ ভূমি। ইউনিয়নগুলোর বেশির ভাগ জায়গায় বন্যপ্রাণীদের বিচরণক্ষেত্র রয়েছে। সরকার বনায়নে প্রায় সময় স্থানীয় উপকারভোগীদের প্লট বরাদ্দ দিয়ে থাকে। সামাজিক বনায়নের ওই প্লটগুলো অনেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে দেয়। বরাদ্দ পাওয়ার কয়েক বছর যেতে না যেতেই তারা বিভিন্ন জনের কাছে সামাজিক বনায়নের প্লট বিক্রি করে দেয়। ফলে ওই সব পাহাড়ি জায়গায় সরকার বসতিস্থাপন, গাছ কাটা ও পাহাড় কাটা নিষিদ্ধ করলেও সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার ও রেঞ্জ অফিসারকে ম্যানেজ করে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ দিকে সপ্তাহখানেক আগে থেকে টইটং বিট অফিসের পূর্বপার্শ্বে চ্যাপ্টামোড়া নামক স্থানে লাইলা বেগম নামে এক মহিলা ভবন নির্মাণ করছেন। আর এমন করে ভবন নির্মাণের ফলে বন বিভাগের রিজার্ভ ভূমি দিন দিন বেহাত হয়ে যাচ্ছে। ভবন নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছ ছাড়াও পাহাড় কেটে সাবাড় করছে তারা। এর ফলে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
অপর দিকে বন্যপ্রাণীও দিনের পর দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
টইটংয়ের বিট কর্মকর্তা জমির হোসেন ভবন নির্মাণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমরা নির্মিত ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এরপর বন বিভাগ মামলা
দায়ের করেছে।