উত্তরের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নদ-নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি। নতুন নতুন এলাকা পানিতে ডুবে গেছে।

পাউবোর পানি মাপক আব্দুল মান্নান জানান, শনিবার দুপুর পর্যন্ত যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপদ সীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এলাকা পরিদর্শনে জানা গেছে, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ-৫০ শয্যার সরকারি হাসপাতাল-রেল স্টেশন-পুরাতন রেল লাইনে বসবাস এলাকার সড়কসমূহ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। গতকালপর্যন্ত এসব সড়ক শুকনো ছিল। চুনিয়াপাড়া গুলুঘাট ব্রিজের নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে ফসলাদি ডুবে যাচ্ছে। উপজেলার নদী পাড় ও নিম্নাঞ্চলে ফসল বাড়িঘরে পানি উঠছে। উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের মন্ডলবাজার এলাকায় খোলাবাড়ী প্রধান সড়কঘেঁষে তীব্র নদী ভাঙ্গন চলছে। এতে করে মন্ডলবাজার, টাকিমারী ও বউলাতলীসহ বেশ ক’টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে।

নয়াগ্রামে কয়েক দিনের মধ্যে ২০ পরিবারের বাড়িঘর বিলীন হয়েছে, আরো বহু বাড়িঘর ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে। খোলাবাড়ী সড়ক ধসে গেলে এলাকার কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন্নাহার শেফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি শুক্রবার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে এসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পরিস্থিতি বর্ণনা করে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। শনিবার থেকে ভাঙ্গন রোধে কাজ শুরু করার কথা ছিল। রোববার আশা করি সকাল থেকেই কাজ শুরু করা হবে।