কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মসজিদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এক মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত মুক্তিযুদ্ধা সোহেল মিয়া (৭০) ওই দিন রাতেই কটিয়াদী মডেল থানায় একই এলাকার বাসিন্দা শামসুল আলম খাঁকে (৫৫) প্রধান অভিযুক্ত করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আগের জুমার বয়ানের সময় মসজিদে ইমাম সুদ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনার সময় শামসুল আলম খাঁ (৫৫) প্রতিবাদ করেন। সেই ঘটনা নিয়ে গত শুক্রবার সালিসি দরবার হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধা সোহেল মিয়া মসজিদের ইমামের বক্তব্যকে সমর্থন করে কথা বলেন। এ ছাড়া ওই দিন মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সাথে শামসুল আলম খাঁর মতের অমিল হয়। জুমার নামাজ বাদ বাড়ি যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষ শামসুল আলম খাঁর লোকজন মহিলাসহ বেশ কয়েকজন আচমকা মুক্তিযোদ্ধা সোহেলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে আহত হন।

অভিযুক্ত শামসুল আলম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। মসজিদের কমিটি নিয়ে মতের অমিল আছে। কিন্তু মসজিদে তিনি আমার শরীরে ধাক্কা দিয়েছে- এমন সংবাদ শুনে আমার পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে চেয়েছিল। কিন্তু সোহেল মিয়া উল্টো তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। এটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। কোনো হামলা হয়নি।
কটিয়াদী মডেল থানার এসআই সোহরাব হোসেন বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। ঘটনার
তদন্ত চলছে।