মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে টেকনাফে পাকা ঘর উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫২৩ জন ভূমিহীন এই ঘর পেয়েছন। তবে এখনো অনেক ভূমিহীন মানুষ আছেন যারা মাথাগোঁজার ঠাঁই পাননি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে বাংলাদেশী নাগরিকরা অনেকেই মুজিববর্ষের ঘর থেকে বঞ্চিত হলেও দুই রোহিঙ্গা নাগরিক সেই ঘর পেয়েছেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে। হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকায় দুই রোহিঙ্গা সুকৌশলে উপহারের ঘর হাতিয়ে নিয়েছেন।
টেকনাফ উপজেলা ভূমি অফিসের তালিকা সূত্র থেকে আরো জানা গেছে, উলা মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম ও নুর মোহাম্মদের ছেলে ছিদ্দিক আহমদ নামের দুই রোহিঙ্গার নামে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তারা উপহারের ঘরে বসবাসও করছেন। তারা গোপনে বাংলাদেশী এনআইডি কার্ড তৈরি করে ভূমি অফিসে জমা দিয়েছেন। এর ফলে নিজের নামে উপহারের ঘর হাতিয়ে নেয়া তাদের জন্য সহজ হয়েছে। দুই বছর আগেই তাদের নামে ঘর বরাদ্দ হয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু উপহারের ঘর পাওয়াই নয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট সহায়তার বিনামূল্যে ৩০ কেজি চালের তালিকায়ও তাদের নাম রয়েছে।
কয়েকদিন আগে ছৈয়দ আলম দুই নাতির জন্মসনদ করার জন্য হ্নীলা ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) বেলাল উদ্দিনের কাছে স্বাক্ষর নিতে গেলে বিষয়টি উঠে আসে। পরে ইউপি সদস্য বেলাল উদ্দিন এই রোহিঙ্গা পরিবারের জন্মসনদ বাতিল করার জন্য হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বরাবর আবেদন করেছেন। মেম্বার বেলাল উদ্দিন বলেন, তারা রোহিঙ্গা সেটি নিজেরাও স্বীকার করেছে।
তাদের জন্মসনদ বাতিল করার জন্য চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছেন বলেও জানান।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, কিভাবে রোহিঙ্গারা মুজিববর্ষের ঘর পেয়েছে তা আমার জানা নেই।
টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান জানান, এটা তার আগের মেয়াদের ঘটনা। তদন্তপূর্বক সত্যটা পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখবে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেল ২ রোহিঙ্গা!
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে টেকনাফে পাকা ঘর উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫২৩ জন ভূমিহীন এই ঘর পেয়েছন। তবে এখনো অনেক ভূমিহীন মানুষ আছেন যারা মাথাগোঁজার...



